ঢাকা, শনিবার   ১৩ জুলাই ২০২৪ ||  আষাঢ় ২৮ ১৪৩১

গৃহকর্মী রাখার ক্ষেত্রে করণীয়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৩৮, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো গৃহকর্মী। যেসব পরিবারে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করেন, কিংবা যেসব পরিবারে ছোট বাচ্চা বা অসুস্থ মানুষ আছে; সেসব পরিবারে তো গৃহকর্মী অনেকটা অপরিহার্য।

গৃহকর্মীরা আমাদের ঘর গেরস্থালির প্রায় সব খবর জানেন। তাই গৃহকর্মী বিশ্বস্ত হওয়া জরুরি। কিন্তু এই বিশ্বস্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া একেবারে সহজ কথা নয়। অনেকে তো প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে যাচাই-বাছাই না করেই গৃহকর্মী নিয়োগ দেন। তবে বিষয়টিকে হালকা করে দেখার একবারেই সুযোগ নেই। নতুন গৃহকর্মী নেওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে নেওয়া খুব জরুরি। সতর্ক না হলে ঘটতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা।

তো চলুন জেনে নেওয়া যাক গৃহকর্মী রাখার ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে-

> গৃহকর্মী রাখার আগে তার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় জেনে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি। এক্ষেত্রে গৃহকর্মীর জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সংগ্রহে রাখুন। শনাক্তকারী ব্যক্তি হিসেবে তার পরিবারে অন্য কোনো সদস্যেরও  জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সংগ্রহে রাখুন।
 
> গৃহকর্মীর সদ্য তোলা রঙিন ছবি জমা নিন। তথ্যগুলো নিজের কাছে রাখার পাশাপাশি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে।
 
> গৃহকর্মীর পরিবারের তথ্য, স্থায়ী ঠিকানা ও পরিবারে কে কে আছেন, তা জেনে নিন। প্রয়োজনে স্থায়ী ঠিকানায় যোগাযোগ করুন।
 
> গৃহকর্মী রাখার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বিভিন্ন নির্দেশনা রয়েছে। ডিএমপির সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ফরমে গৃহকর্মী ও গাড়ির চালকদের তথ্য দেওয়ার ঘর রাখা আছে। গৃহকর্মী রাখার ক্ষেত্রে ফরমটি পূরণ করে থানায় দিয়ে রাখুন।
 
> অবশ্যই বিশ্বস্ত সূত্র থেকে গৃহকর্মী নিতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহকর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজ নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির সরকারি অনুমোদন আছে কি-না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
 
> গৃহকর্মী সর্বশেষ কোথায় কাজ করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য, কাজ ছাড়ার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। প্রয়োজনে ওই ঠিকানায় যোগাযোগ করে তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।
 
> গৃহকর্মী নিয়োগের পর তার গতিবিধি খেয়াল রাখতে হবে। গৃহকর্মী সন্দেহজনক কারও সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছে কি-না, তাও খেয়াল রাখতে হবে।
 
> বাসায় মূল্যবান জিনিস সাবধানে নিরাপদ জায়গায় রাখতে হবে।
 
> স্থানীয় থানার ডিউটি অফিসারের ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখুন।
 
> প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করার বিষয়টিও মাথায় রাখুন।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়