ঢাকা, বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২১ ১৪২৯

ময়মনসিংহ -শেরপুর বিকল্প মহাসড়ক, খুলছে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৪৬, ২৪ মে ২০২২  

সংগৃহীত

সংগৃহীত

বদলে যাচ্ছ শেরপুর ময়মনসিংহ যোগাযোগ ব্যবস্থা। শেরপুর-নকলা-ফুলপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দূরত্ব ৬৯ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরেই এই সড়কটিই শেরপুর-ময়মনসিংহ যোগাযোগের প্রধান সড়ক। এই সড়কের পাশাপাশি সরকার আরেকটি বিকল্প মহাসড়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অঞ্চলের অর্থনীতি বাণিজ্য,সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই মহাসড়কটি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এই সড়কটি মূল মহাসড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শেরপুরের উপশহর কানাশাখোলা দিয়ে দিয়ে ভীমগঞ্জ-নারায়ণখোলা-রামভদ্রপুর-পরানগঞ্জ হয়ে ময়মনসিংহ মহানগরের রহমতপুরের সাথে যুক্ত হবে। এতে শেরপুর-ময়মনসিংহ দূরত্ব কমবে ২০ কি. মি.। অর্থাৎ এই সড়কটি হয়ে গেলেই শেরপুর-ময়মনসিংহ দূরত্ব হব মাত্র মাত্র ৪৯কি. মি.। ময়মনসিংহ যেতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগবে।

সড়কটি নির্মাণে ব্যয় হবে ১৮শ ৪২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। গত ১০মে এই সড়কের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এই উদ্যোগ উক্ত অঞ্চলের লাখলাখ মানুষের ভাগ্য বদল হবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে সরকারের শেরপুর ও ময়মনসিংহ সড়ক বিভাগ। সব ঠিক থাকলে সরকার আগামী জুলাই-আগস্টেই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে। কাজ সম্পন্ন হতে সময় লাগবে দুই বছরের বেশি। রাস্তার দৈর্ঘ্য হবে ৪৪.৯০৬ কি.মি. প্রস্থ ৩৩.৭৮ ফুট। এই মহাসড়কটি সম্পন্ন করতে জায়গা অধিগ্রহণ করতে হবে, নির্মাণ করতে হবে অন্তত আটটি সেতু। এর মধ্যে পরানগঞ্জ-রহমতপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ ও রেল লাইনের উপর দিয়ে নির্মাণ করতে হবে ১৪শ ৭১ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু। 

ময়মনসিংহ বিভাগের সড়ক ও জনপথের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী জানিয়েছেন, সরকার সব কিছু দ্রুত করতে চেষ্ঠা করছে। আইনগত কাজ গুলো দ্রুত সারা হচ্ছে।

সড়ক ও সেতু সচিব নজরুল ইসলাম জানিয়েছে, এই প্রকল্পটি ময়মনসিংহ ও শেরপুরের মন্ত্রী-জনপ্রতিনিধিদের দীর্ঘদিনে দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সরকারের কমিটমেন্ট ছিল। একক কোন প্রচেষ্টা নয় সবার সহযোগীতাতেই এই মেগা প্রকল্পটি সরকার করতে চায়। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তন হবে বলেও মনে করেন তিনি।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়