ঢাকা, বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২১ ১৪২৯

হাইটেক পার্কের মাধ্যমে স্মার্ট নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে ময়মনসিংহ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৩৩, ২৩ জুন ২০২২  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

হাইটেক পার্কের মাধ্যমে ময়মনসিংহ একটি জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, এই হাই-টেক পার্ক ময়মনসিংহবাসীর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনন্য উপহার। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত এই হাই-টেক পার্কের নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে এবং দুই বছরের মধ্যে এখানে আমরা কার্যক্রম শুরু করব। এখান থেকে এক হাজার তরুণ-তরুণী প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে। তারা ময়মনসিংহের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেই ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে ডলার আয় করবে।

গত বুধবার (২২ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হলস্থ অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে হাই-টেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণরা চাকরি করবে না, চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করবে। তারা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের তরুণরা আর জব সিকার নয়, জব ক্রিয়েটর হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করবে। ডলার আয়ের জন্য এখন আর বিদেশে পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন নাই। এটাই শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আর আমদানিকারক দেশ থাকতে রাজি নই, আমাদেরকে এখন রাপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। দেশে এখন বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ বিরাজ করছে পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে কাজ করার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ময়মনসিংহবাসীর উন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই হাই-টেক পার্কের মাধ্যমে এখানকার তরুণ-তরুণীদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হলো। এর ফলে ময়মনসিংহের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এই আইটি পার্ক নির্মাণ ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে যেকোনো প্রয়োজনে আমার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম মনিরা সুলতানা এমপি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক, জেলা পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ।

এর আগে, নগরীর রহমতপুর কিসমত এলাকায় ৭ একর জমির ওপর ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে হাই-টেক পার্ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়